নতুন বছরের প্রথম দিনে উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ শহর দেখলো এক অবাক করা হাট। শুক্রবারে নয়, পদ্মাপাড়েও নয়, রায়গঞ্জ শহরের সুপার মার্কেটের সামনে রবিবার ১ লা বৈশাখে বসেছিল জৈব হাট। জৈব হাটে তাদের জৈব পদ্ধতিতে উৎপাদিত শাক, সব্জী নিয়ে হাজির হয়েছিলেন রায়গঞ্জ লাগোয়া বিভিন্ন গ্রামের কৃষক। উদোক্তারা হতবাক, হাট বসার আগেই হাটের অর্দ্ধেক এর বেশী মাল বিক্রি হয়ে যাওয়ায়। সাধারন মানুষের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার
মতো। রাসায়নিক সার না দেওয়া লাল শাক, লাউ সবই প্রায় হুড়োহুড়ি করে শেষ করে দিলেন ক্রেতারা। দামও সাধারন বাজারের মতো। ছিল মাটির তৈরী বিভিন্ন জলের বোতল।
এদিনের এই হাটে আসা মহিলা ক্রেতা বললেন, তারা এই জৈব হাটে এসে খুশি। কারন এই জৈব সারে তৈরি হওয়া শাক, সব্জি খেয়ে শরীর ভালো থাকবে। সব্জী সতেজ ও তার গুনগত মান ভালো থাকবে বলে তিনি মনে করেন।
এই হাটে হাজির ছিলেন মার্চেন্ট এসোসিয়েশনের সম্পাদক অতুনু লাহিড়ী। হাট সম্পর্কে অতনু লাহিড়ী বলেন, তিনি এই হাটে ক্রেতা হয়ে এসেছেন, তবে এই ধরনের জৈব উৎপাদনের জন্য জেলার সব বাজারে আউটলেট করার উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করবেন।
যদিও এই হাটের উদ্যোক্তা টীপু মন্ডল বলেন আমরা এভাবে সাড়া পাবো ভাবতেই পারিনি। তবে রাসায়নিক সারের শাক সব্জি খেয়ে আনেকেই আজ অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। যার কারনে তারা এই জৈব সারে চাষ করা শাক সব্জি উপহার হিসেবে এই হাট নিয়ে এসেছেন।